আমাদের প্রতিষ্ঠানের নাম সোনরগাঁও দাখিল মাদ্রাসা। এটি বার আউলিয়ার পূণ্য ভূমি চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন ১৪নং রাজা নগর ইউনিয়নস্থ ৫নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রস্থল ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও গ্রামে অবস্থিত। এ গ্রামে পীরে কামেল,রাহনুমায়ে শরিয়ত ও তরিকত,শাসসুল ওলামা,ওস্তাজল ওলামা,আল্লামা অধ্যক্ষ ছৈয়দ শাসসুল হুদা(রহ:)এর উর্ধ্বতন পুরুষ অলিয়ে কামেল আল্লামা ছৈয়দ আবদুল জাহের(রহ:)আনুমানিক ১৯৪০ সালে অত্র মাদ্রাসা ভিত্তি রচনা করে ছিলেন। মুরুব্বীদের কাছে জন শ্রুতি আছে-অত্র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করার পর হতে সোনারগাঁও গ্রামে “গরম বেরামের”আবির্ভাব হয়নি,(গরমবেরাম হলো-“ভয়ানক কলেরা রোগ” যা একজনের হলে সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ত এবং বেশী বেশী মানুষ মারা যেত)। এ দৃষ্ঠি কোণ থেকে স্পষ্ঠ প্রতীয়মান হয় যে, এ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠ লগ্ন হতে আধ্যাত্মিক বা বেলয়েতী দৃষ্ঠি রয়েছে। এ মাদ্রাসা দীর্ঘ যাবৎ ফোরকানিয়া মাদ্রাসা হিসেবে এলাকায় দ্বীনি তালিমের খেদমত করে ছিলেন। পরবর্তীতে এলাকয় কয়েকজন কৃতি সন্তান ও দ্বীনদরদী ব্যক্তি উক্ত ফোরকানিয়া মাদ্রাসাকে পর্যায়ক্রমে প্রথমে এবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং পরে দাখিল মাদ্রাসায় উন্নীত করার জন্য প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হন। তাঁদেরই একান্ত শ্রম ও প্রচেষ্ঠায়, এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ও শিক্ষক মন্ডলীর সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে সোনারগাঁও দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। অত্র মাদ্রাসা বোর্ড কর্তৃক বিগত ২০০৩ সালে প্রাথমিক অনুমতি ও ২০০৭ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। অবশেষে ২০১০ সালে ১০ই মে রাঙ্গুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সন্তান, গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আলহাজ্ব ড.হাছান মাহমুদ(এম.পি) সাহেবের সুনজরে অত্র মাদ্রাসা এম.পিও ভুক্ত করা হয়। এ মহান পূণ্যময় কাজটি করে ড.হাছান মাহমুদ সাহেব অত্র এলাকাবাসী, শিক্ষক মন্ডলী ও ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আজীবন কৃতঞ্জতার পাশে আবদ্ধ করেছেন। আর অত্র মাদ্রাসার পরীক্ষার ফলাফল আল্লাহর রহমতে সত্যিই ঈষর্ণীয়। প্রারম্বিক বছর(২০০৫ সাল)হতে প্রায় প্রতি বছেরের দাখিল,জেডিসি,এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল রাঙ্গুনিয়ায় রীতিমতো সাড়া জাগানো ফলাফল হয়ে আসছে ইনশাল্লাহে,এতে আল্লাহ তায়ালা ও সংশ্লিষ্ঠ সবার অশেষ শোকরিয়া আদায় করছি-আল হামদুলিল্লাহ।পরিশেষে, অত্র মাদ্রাসা যে মহান ব্যক্তি ভিত্তি প্রস্থর করেছেন,যাঁরা শারীরিক পরিশ্রম দিয়ে মাদ্রাসা দাঁড় করেছের, পরিচালনা করেছেন/করছেন,যাঁরা পাঠদান দিয়ে মাদ্রাসাকে সজীব করেছেন/করছেন,যাঁরা মাদ্রাসাকে মহব্বত ও সহযোগিতা করেছেন/করছেন, আল্লাহ তায়ালা তাঁদেরকে দুনিয়া-আখেরাতে উভয় জাহানে কামিয়াবী নসিব করুণ আমিন,ছুম্মা আমিন,বেহুরমতে নবীয়ে মুখতার,মালেকে কাউছার সাল্লাল্লাহু আরাইহে ওয়াসাল্লাম।